মোবাইল রিচার্জে কমিশন বৃদ্ধির দাবীতে সারা দেশে আন্দোলন অব্যাহত

Sunday, October 7, 20120 comments


 দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে টেলি-রিচার্জ ব্যবসায়ীদের কমিশন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। রিচার্জে লাভের পরিমান বাড়ানো, যত্রতত্র নতুন রিচার্জ সিম দেয়া বন্ধসহ ৬টি দাবিতে আন্দোলনের ঘোষনা দিয়েছে ঢাকা টেলি রিচার্জ ঐক্য পরিষদ নামের একটি সংগঠন। এ কারণে বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানিতে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।
মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীরা জানান, বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির দেয়া রিচার্জ সিম নিয়ে রাজপথ থেকে শুরু করে অলি গলিতে ব্যবসা করে আসছেন তারা। তবে মোবাইল কোম্পানিগুলো এতটাই কম কমিশন দেয় যা দিয়ে তাদের ব্যবসা বন্ধ হবার উপক্রম হয়ে পড়েছে।
টেলি রিচার্জ পরিষদের আহবায়ক নূরুল হুদা জানান, এক হাজার টাকা রিচার্জ করলে কমিশন পাওয়া যায় মাত্র ২৭ টাকা। কখনো ভুল করে অন্যের নম্বরে ৫০ টাকা চলে গেলে প্রায় দুই হাজার টাকার কমিশন থাকে না। একদিকে দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতন তার উপর ভুল হলে তাদের কিছুই থাকে না। তিনি বলেন, মোবাইল কোম্পানিগুলো কমিশন দিয়েই শেষ। আমাদের একটি সিমের জন্য একটি মোবাইল ব্যবহার করতে হয়। মাত্র ১০ টাকা রিচার্জের জন্য প্রায় ৪০ বার মোবাইলের বাটম টিপতে হয়। এ কারনে একিট মোবাইল বেশীদিন টিকেনা। কোম্পানি থেকে কোন মোবাইলও দেয়া হয় না।
মোবাইল কোম্পানিগুলোর কাছে ৬টি দাবি নিয়ে স্বারকলিপি দিয়েছে ঢাকা টেলি রিচার্জ ঐক্য পরিষদ। দাবিগুলো হলো, প্রতি হাজারে ১০০ টাকা কমিশন দিতে হবে। যত্রতত্র লোডের সিম দেয়া বন্ধ করতে হবে। ডিলার কর্তৃক বেনামী কোড এর মাধ্যমে সিম বিক্রি বন্ধ করতে হবে। বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী সিম রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি যথাযথ নিয়ম মেনে চলতে হবে। অনাকাংখিত নাম্বারে টাকা রিচার্জ হলে তা রিটেইলারে রিচার্জ সিমে ফেরত আনার ব্যবস্থা করতে হবে। সিম বিক্রির কমিশন পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে প্রদান করতে হবে। এমন নানান দাবিতে সারা দেশে এখনো টেলি রিচার্জ ব্যবসায়ীদের মানব বন্ধন, রিচার্জ বন্ধ, সভা সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে। আবার কোথাও এ আন্দোলন শেষও হয়ে গেছে। সারা দেশের মোবাইল রিচার্জ আন্দোলনের সর্বশেষ তথ্য বিস্তারিত জানুন একটি ডেস্ক রিপোর্টে।
আশুলিয়া
আশুলিয়ায় মোবাইল রিচার্জে কমিশন বৃদ্ধির দাবীতে মানববন্ধন২ অক্টোবর সকালে আশুলিয়ার বাইপাইলে নবীনগর-কালিয়াকৈর মহাসড়কে বাইপাইল ফ্ল্যাক্সিলোড ব্যবসায়ী এসোসিয়েশনের ব্যানারে মোবাইল রিচার্জে শতকরা ১০ ভাগ কমিশনের দাবীতে মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। ফ্ল্যাক্সিলোড ব্যসায়ীরা জানান, মোবাইল রিচার্জের শুরু থেকে প্রতি হাজারে ২৮ টাকা হারে কমিশন দেয়া হতো বর্তমানেও একই রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা কমিশন বৃদ্ধির দাবী জানালেও মোবাইল রিচার্জে কমিশন বৃদ্ধি করেনি গ্রামীনফোন, বাংলালিংক, এয়ারটেল, রবি ও সিটিসেল কোম্পানী। গত এক সাপ্তাহ যাবৎ ফ্ল্যাক্সিলোড ব্যবসায়ীরা রিচার্জ বন্ধ রেখে কমিশন বৃদ্ধির দাবী করে আসছে। ওই কোম্পানীগুলো ফ্ল্যাক্সিলোড ব্যবসায়ীদের দাবী না মানায় মানব বন্ধন করেছে। কোম্পানীগুলো আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে তাদের দাবীকৃত ১০% কমিশন বৃদ্ধি না করলে তারা বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
পাবনা
দাবি পাবনার ব্যসায়ীদের মোবাইল রিচার্জে কমিশন বাড়ানোর
পাবনার মোবাইল রিচার্জ ব্যসায়ীরা সব কমিশন শতকরা দুই দশমিক ৭৫ টাকা থেকে ১০ টাকায় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। ৩ অক্টোবর পাবনা জেলা ফোন-ফ্যাক্স মালিক সমিতির উদ্যোগে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তারা। ব্যবসায়ীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে মাত্র শতকরা দুই দশমিক ৭৫ টাকা কমিশনে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসা করে সাধারণ মানুষকে সেবা প্রদান করে আসছে তারা। কিন্তু বর্তমান দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির বাজারে সামান্য এই কমিশনে ব্যবসা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। কমিশন শতকরা ১০ টাকায় উন্নীত করা, ১০ টাকার কার্ড বের করা, মাসের শেষে টার্গেট পূরণের নামে মোটা অংকের লোড বন্ধ করা ও ভুল নম্বরে পাঠানো টাকা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সব কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। এ সব দাবির বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে কোম্পানিগুলোর কাছে লিখিতভাবে জানানো হলেও কোম্পানি কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে। সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ীরা আরো জানান, এ সব দাবিতে গত ১ অক্টোবর থেকে পাবনা জেলার পাঁচ শতাধিক মোবাইল লোড ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট পালন করে আসছেন। আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে দাবি মানা না হলে আরো বড় কর্মসূচি দেয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে পাবনা জেলা ফোন-ফ্যাক্স মালিক সমিতির সভাপতি সুলতান মাহমুদ, যুগ্ম সম্পাদক আলতাব মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক হান্নান মুন্সী, সদস্য আবু ওয়াহিদ কল্লোলসহ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
লালপুর
লালপুরে মোবাইল ফোনে রিচার্জ এক সপ্তাহ বন্ধ রাখবেন ব্যবসায়ীরা
বিভিন্ন দাবিতে নাটোরের লালপুরে গত মঙ্গলবার থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত মোবাইল ফ্লেক্সি ১ সপ্তাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সোমবার লালপুর উপজেলা মোবাইল ফ্লেক্সি ব্যবসায়ীদের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফ্লেক্সি ব্যবসায়ী সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুর ২টার দিকে লালপুর পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে উপজেলার শতাধিক মোবাইল ফ্লেক্সি ব্যবসায়ী এক জরুরি বৈঠকে বসেন। তারা বলেন, মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের সঙ্গে বৈরী আচরণ করছে। এর প্রেক্ষিতে তারা ফ্লেক্সির কমিশন শতকরা ২ দশমিক ৭৫ থেকে বাড়িয়ে শতকরা ১০ ভাগ, সর্বনিম্ন ব্যালেন্স ১ হাজার টাকা প্রত্যাহার, নির্দিষ্ট মূল্যে মোবাইল সীম বিক্রিসহ বিভিন্ন দাবিতে এক সপ্তাহের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে (২-৮ অক্টোবর) সব ধরনের ফ্লেক্সির টাকা গ্রহণ ও গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ বন্ধের ঘোষণা দেন তারা। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ৫ সদস্যের মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক মাজদার রহমান, সদস্যসচিব জাকির হোসেন, সদস্য সিরাজুল ইসলাম, আসলাম হোসেন ও মাসুদ রানা। এ সময়ের মধ্যে মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের দাবি মেনে না নিলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়। কর্মসূচির কারণে মোবাইল ব্যবহারকারীদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়।
পিরোজপুর
পিরোজপুরে মোবাইল রিচার্জ বন্ধে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
পিরোজপুরে রিচার্জ কমিশন বৃদ্ধির দাবীসহ ১০ দফা দাবীতে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীরা জেলাব্যাপি ৫ দিনের ধর্মঘট পালন শুরু করেছে। জেলা টেলিকমিউনিকেশন ব্যবসায়ী সমিতির ডাকে গত রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সব ধরনের মোবাইল রিচার্জ ও সিমকার্ড বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার সকালে শহরের ক্লাব রোডে অনুষ্ঠিত এক মানব বন্ধনে এ ঘোষণা দেন ব্যবসায়ীরা। মানববন্ধনে সমিতির আহবায়ক ব্যবসায়ী মোস্তাক আহমেদের সভাপতিত্বে একত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এডভোকেট এম এ মান্নান, রাজনিতিবিধ শিক্ষক আলমগীর হোসেন, জেলা ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি শেখ আতাউর রহমান, উন্নয়ন কর্মী মাইনুল আহসান মুন্না, ব্যবসায়ী মো. কামাল ও শচীদুলাল প্রমুখ। এদিকে মোবাইলে টাকা লোড করতে না পারায় চরম ভোগান্তিতে পরেছে মোবাইল ব্যবহারকারিরা।
নড়াইল
নড়াইল মোবাইল রির্চাজ ব্যবসায়ী এ্যাসোসিয়েশন মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত
৫ দফা দাবিতে নড়াইলে মোবাইল রির্চাজ ব্যবসায়ী এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে রূপগঞ্জ বাজারের চৌরাস্তায় মোবাইল রিচার্জ কমিশনবৃদ্ধিসহ ৫ দফা দাবিতে এ মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন চলাকালে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন নড়াইল মোবাইল রির্চাজ ব্যবসায়ী এ্যাসোসিয়েশন এর আহবায়ক মোঃ পল্ল¬ব, মোঃ জিকু সিকদার,মেহেদী হাসান জনি প্রমূখ। বক্তারা, ১০% হারে কমিশন, ভূলক্রমে রিচার্জ এর টাকা ফেরত আনার ব্যবস্থা, ৫০ টাকার নিচে রিচার্জ করার সুযোগ না দেওয়াসহ ৫ দফা দাবী অবিলম্বে পূরন না করা হলে সকল প্রকার কার্ড ও ফ্লেক্সি রির্চাজ করা বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানান।
যশোর
মোবাইল রিচার্জ বন্ধে জনদুর্ভোগ আজ থেকে যশোরে ধর্মঘট প্রত্যাহার
মোবাইল রিচার্জ বন্ধ থাকায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নানা পেশা শ্রেণীর মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিশেষ করে ১০/২০ টাকা ফ্লেক্সি লোড দেয়া স্বল্প আয়ের মানুষ দুর্ভোগের শিকার বেশি। এতে করে ব্যবসায়ীক ও পারিবারিক যোগাযোগসহ সবধরনের যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফ্লেক্সি লোড বা মোবাইল রিচার্জ বিক্রির উপর কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে যশোর মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতি গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয়। গত ২ অক্টোবর কোম্পানির সাথে এ ব্যাপারে তেমন ব্যবসায়ীদের কোন আলোচনা হয়নি। তবে ৩ অক্টোবর ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দিয়েছেন। এদিকে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ৪ অক্টোবর থেকে তাদের ধর্মঘট বলবৎ থাকছে না। তবে তাদের দাবি না মানলে দেশব্যাপী বৃহৎ আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।
কলারোয়া
কলারোয়ায় মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা গ্রাহকদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা
সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের আড়ালে গ্রাহকদের জিম্মি করে হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। জানা গেছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর এর আগে ১১ দফা দাবিতে উপজেলার ফ্লেক্সি লোড/ইজি লোড ব্যবসায়ীরা অনিষ্টকালের জন্য ধর্মঘট ডেকে দোকানপাট বন্দ করে দেয়। এ সংকট কে কাজে লাগিয়ে ফ্লেস্কিলোড ব্যবসায়ীরা ৩ অক্টোবর মঙ্গলবার থেকে তাদের দোকান খুলে বেশী দামে রিচার্জ কার্ড বিক্রি করছে। কলারোয়া রুচিরা বেকারীর দোকান থেকে অনেকেই ২০ টাকা সমমূল্যের কার্ড ২৫ টাকায় ক্রয় করেছেন। আলাপকালে কলারোয়া বাজারের সোনালী ষ্টোরের মালিক জানান, ধর্মঘটের কারণে ২০ টকার কার্ড ২৫ টাকা চাইলেও অনেকেই তা কিনছেন। তার সংগ্রহে ২শ পিচ কার্ড আছে বলে তিনি জানান। এছাড়া উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাটবাজেরর মোবাইল রিচার্জের ব্যবসায়ীরা চেনা মুখ দেখে গোপনে বেশি দামে কার্ড বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
খুলনা
খুলনায় মোবাইল রিচার্জ এসোসিয়েশনের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ধর্মঘট প্রত্যাহার
গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে ২ অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৯ দিন খুলনায় মোবাইল রিচার্জ এসোসিয়েশনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়। ২ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নগরীর শিববাড়ি মোড়ে গ্রামীন মোবাইল কোম্পানীর খুলনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে মোবাইল রিচার্জ এসোসিয়েশনের সদস্যরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এবং কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে। এতে সংগঠনের আহবায়ক সুজন আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বক্তৃতা করেন নাসির উদ্দিন বাবু, আব্দুর রাজ্জাক, শাহাদাৎ হোসেন ও হাবিবুর রহমান প্রমুখ। সুজন আহমেদ তার বক্তৃতায় বলেন, গ্রাহকদের কথা বিবেচনা করে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হলো। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি না মানলে এর চেয়েও কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। উল্লেখ্য, তাদের দাবি আদায়ের লক্ষে গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে এই এসোসিয়েশন ধর্মঘট আহবান করে।
ভোলা
ভোলায় মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন
মোবাইল রিচার্জে কমিশন বৃদ্ধি, ভুল রিচার্জে ফেরত সুবিধা ও ৫০০ টাকার নিচে ব্যালেন্স ট্রান্সফার সুবিধা প্রদানের দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতি। ১৯ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় ভোলা সদর রোডের অবসর সিনেমা হলের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন থেকে বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতি আহবায়ক মোঃ সাইদুর রহমান মাছুদ, নুরম্নজ্জামান, জসিমউদ্দিন, হাবিব, অলিউর রহমান প্রমুখ। এসময় বক্তরা বলেন, ১২ বছর আগে যে কমিশন দেওয়া হতো। এখনো একই পরিমাণ কমিশন তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে। তারা শতকরা ১০ টাকা কমিশন দাবি করেন এবং দাবী আদায় না হওয়া পর্যনত্ম মোবাইল রিচার্জ বন্ধ রাখার সিদ্ধানত্ম নেয়।
শার্শা
শার্শা উপজেলা মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতির সাংবাদিক সম্মেলন
৪ দফা দাবী আদায়ের লক্ষে ২৯ সেপ্টেম্বর সকালে বেনাপোল প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন শার্শা উপজেলা মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতি। দীর্ঘদিন ধরে তাদের প্রচলিত কমিশন ২.৭০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ বৃদ্ধির দাবী সহ ৪ দফা দাবী সম্মিলিত লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমিতির যুগ্ন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাবু। লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ীরা বলেন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত সকল মোবাইল কোম্পানীর সাথে লোড ট্রানজেকশন বন্ধ থাকবে এবং বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে তাদের দাবী পূরণ না হলে ৬ অক্টোবর থেকে অনিদিষ্টকালের জন্য সকল প্রকার মোবাইল রিচার্জ বন্ধের ঘোষনা দিবেন বলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সমিতির নেতৃবৃন্দ জানান।
শিবচর
শিবচরে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
মাদারীপুর জেলার শিবচরে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট চলছে। ব্যবসায়ীরা সকল মোবাইল কোম্পানির রিচার্জ বন্ধ করে দেয়ায় চরম ভোগান্তিতে পরেছে গ্রাহকরা। সমিতি সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ফোন কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসায় করে আসছে। বর্তমানে সকল জিনিসের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। অথচ মোবাইল কোম্পানিগুলো তাদের পুরোনো কমিশনই দিচ্ছে যা বর্তমানের বাজারে খুবই নগণ্য। এ কমিশনের টাকায় দোকান ভাড়াই আসেনা। এ কারণে কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে ২৮সেপ্টেম্বর থেকে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে টাকা রির্চাজ করা বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। দাবি না মানলে রিচার্জ বন্ধ থাকবে বলে ব্যবসায়ীরা জানান। কলেজ ছাত্রী তানিয়া বলেন, শিবচরের কোথাও টাকা রিচার্জ করতে পারছি না। এমনকি আশেপাশের থানাতেও রিচার্জ বন্ধ। তাই খুবই সমস্যায় আছি। ঢাকা থেকে আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে রিচার্জ করতে হচ্ছে।
পাকুন্দিয়া
কিশোরগঞ্জে কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। মোবাইল রিচার্জে কমিশন বৃদ্ধি, ভুল রিচার্জে ফেরত সুবিধা ও ৫০০ টাকার নিচে ব্যালেন্স ট্রান্সফার সুবিধা প্রদানের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল রিচার্জ বন্ধ রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ২৬ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের সামনে মোবাইল রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সমিতির সভাপতি রাকিবুল হাসান রাসেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এ সময় বক্তব্য রাখেন।
তারা বলেন, ১২ বছর আগে যে কমিশন দেওয়া হতো, এখনো একই পরিমাণ কমিশন তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে। তারা শতকরা ১০ টাকা কমিশন দাবি করেন। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মোবাইল রিচার্জ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
পঞ্চগড়
শতকরা ১০ টাকা কমিশনের দাবিতে পঞ্চগড়ে মোবাইল ফোনে রিচার্জ বন্ধ
পঞ্চগড়ে ব্যবসায়ীরা ২৯ সেপ্টেমবর থেকে মোবাইল ফোনে টাকা রিচার্জ বন্ধ রেখেছেন। রিচার্জে শতকরা ১০ টাকা কমিশনের দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। এতে সাধারণ গ্রাহকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। এদিকে কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে ৩ অক্টোবর দুপুরে ব্যবসায়ীরা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এতে জেলা মোবাইল রিচার্জ এসোসিয়েশনের আহবায়কসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসব কর্মসূচিতে দোকান বন্ধ রেখে পঞ্চগড়সহ পাঁচ উপজেলার ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। ব্যবসায়ীদের দাবি, বর্তমানে সিটিসেল ও টেলিটক রিচার্জে ৩ টাকা এবং অন্য অপারেটররা ২ টাকা ৭৫ পয়সা কমিশন দিচ্ছে। এত কম কমিশনে ব্যবসা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এজন্য কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে তারা গত শনিবার সকাল থেকে টাকা রিচার্জ করা বন্ধ রেখেছেন। আজকেও এ কর্মসুচি অব্যাহত ছিল। জেলা মোবাইল রিচার্জ এসোসিয়েশনের আহবায়ক আতাউর রহমান গ্রাহকদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা নিরুপায় হয়ে আন্দোলনে নেমেছি। আন্দোলনের ৫ দিনেও কোন কোম্পানি দাবির বিষয়ে কোন সাড়া দেয়নি। এজন্য তারা ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন।
গৌরনদী
গৌরনদীতে মোবাইল ফোনে রিচার্জ ও সিম বিক্রি বন্ধ
১১ দফা দাবিতে বরিশাল বিভাগীয় রিচার্জ ও সিম বিক্রেতা অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে ২৯ সেপ্টেম্বর ভোর থেকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের দুই শতাধিক মোবাইল ফোন রিচার্জ ও সিম বিক্রেতারা ৪৮ ঘন্টার ধর্মঘট পালন করে। ব্যবাসয়ীরা জানায়, দাবি আদায়ে ৪৮ ঘণ্টা মোবাইল ফোন রিচার্জ, কার্ড ও সিম বিক্রয় বন্ধ করছে তারা। বার্থী সেতু ফোন সার্ভিসের মালিক সোহরাব হোসেন সরদার জানান, এক হাজার টাকা রিচার্জ করলে ২৭ টাকা কমিশন দেয়া হয়। ভুলে অন্য নম্বরে টাকা গেলে ফেরত আনার কোন ব্যবস্থা না থাকায় লোকসান দিতে হয়। আমাদেরকে কে এ বিপদ থেকে বাঁচাবে?
চুয়াডাঙ্গা
চুয়াডাঙ্গায় মোবাইলফোন রিচার্জ মালিক সমিতির ৫ দফা দাবি আদায়ে লাগাতার ধর্মঘট শুরু
চুয়াডাঙ্গায় মোবাইল রিচার্জ মালিক সমিতি তাদের ৫ দফা দাবি আদায়ে লাগাতার ধর্মঘট শুরু করেছে। জেলার ৪টি উপজেলায় এ আন্দোলন চলছে। সমিতির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা থেকে এ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়েছে। আন্দোলনের অংশ হিসেবে নেতৃবৃন্দ ওই দিন সকাল থেকেই প্রচার অভিযানে নামে। এ সময় থেকে রিচার্জ ও কার্ড বিক্রি বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে জীবননগরে গত পরশু থেকেই এ আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। আন্দোলনের ফলে সকল শ্রেণির মোবাইল গ্রাহক সাধারণ দুর্ভোগে পড়েছে। সাময়িক এ দুর্ভোগের কারণে সমিতির পক্ষে নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিক দুঃখ প্রকাশ করেছে। আন্দোলনকারীরা জানান, মোবাইল ফোন রিচার্জে প্রতিটি অপারেটরের পক্ষ থেকে খুচরা বিক্রেতাদের ১ হাজার টাকা লোডের বিপরীতে আগে ৫০ টাকা দেয়া হলেও বর্তমানে সেখানে মাত্র ২৭ টাকা দেয়া হয়। যা বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে খুবই সামান্য। তাছাড়া ১০ টাকার লোডের ব্যবস্থা রয়েছে। সে হিসেব করলে ২৭ টাকা আয় করতে হলে ১০০ জনকে টাকা লোড দিতে হয়। এমতাবস্থায় প্রতি ১ হাজার টাকা লোডের বিপরীতে ১০০ টাকা কমিশন সময়ের দাবি। এছাড়া ১০ টাকা হিসেবে লোড করতে গিয়ে অনেক সময় ভুল নম্বরে লোড চলে যায়। তাই মানবিক কারণে এ দাবি মেনে নেয়া উচিত। রিচার্জ ব্যবসায়ীদের দাবিসমূহের মধ্যে আরো রয়েছে- শুধু ট্রেড লাইসেন্স নয়, ইআরএস সিম দেয়ার ক্ষেত্রে দোকানের মালিকানা অথবা ভাড়াটিয়া চুক্তিপত্রের কপি নেয়ার বিধান করতে হবে। ভুল নম্বরে লোড চলে গেলে রিচার্জ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে সেটি উদ্ধার করা। মাস শেষে এসআরদের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ দেয়া বন্ধ করতে হবে। সিমের মেলা দেয়ার নাম করে কম মূল্যে সিম বিক্রি বন্ধ করা।
জীবননগর
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নে গ্রামীণ, বাংলালিংক, টেলিটক, রবি, সিটিসেল ও ইয়ারটেল কোম্পানির ফ্লেক্সিলোড এজেন্টরা কমিশন বৃদ্ধির দাবিতে ৩ অক্টোবরের চুয়াডাঙ্গার ধর্মঘটের যোগ দিয়েছে। ফ্লেক্সি লোড ব্যবসায়ী সমিতির ডাকে আহুত ধর্মঘটে আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্টরা ওই দিন সকালে একাত্মতা ঘোষণা করে ফ্লেক্সিলোডের সকল কার্যক্রম অনির্দিষ্টিকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে। আকস্মিকভাবে সকল কোম্পানির এজেন্টরা এক যোগে ফ্লেক্সিলোড বন্ধ করে দেয়ায় শ শ মোবাইল গ্রাহকরা দুর্ভোগে পড়েছে।
Share this article :

Post a Comment

 
Support : Creating Website | Johny Template | Mas Template
Copyright © 2011. NETWORK - All Rights Reserved
Template Created by Creating Website Published by Mas Template
Proudly powered by Blogger