প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের পর চলতি বছরের ২ আগস্ট কলপ্রতি ১০ সেকেন্ড পালস চালু করতে সেলফোন অপারেটরদের প্রথম দফায় চিঠি দেয় বিটিআরসি।
দ্বিতীয় দফায় পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, গ্রাহকরা কল করার পর নেটওয়ার্কের ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে কল ড্রপ হলে পুনঃসংযোগে প্রতিবার এক মিনিট বা পূর্ণ পালস হিসেবে কলচার্জ দিতে হয়। এ ছাড়া নির্ধারিত পালসের অংশবিশেষ কথা বললেও পুরো মিনিটের জন্য টাকা দিতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহককে একটি কলের জন্য একাধিকবার সংযোগ পেতে চেষ্টা করতে হয় এবং এ জন্য প্রতিবার ১ মিনিট বা পূর্ণ পালসের চার্জ দিতে হচ্ছে। ফলে গ্রাহকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ছাড়া অনেক গ্রাহকই সংক্ষিপ্ত কথোপকথনে অভ্যস্ত। এ ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সময়ের চার্জ প্রদান বাস্তবসম্মত নয়। এ জন্যেআগামী ১৫ আগস্ট থেকে ১০ সেকেন্ড হারে পালস নির্ধারণের নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।
এদিকে বিটিআরসির প্রথম চিঠি পাওয়ার পর অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মাধ্যমে ১০ সেকেন্ড পালস চালুর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার অনুরোধ করে অপারেটররা। এ ব্যবস্থা খাতের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে বলে জানায় অপারেটররা। পাশাপাশি ১০ সেকেন্ড পালস চালুর একাধিক প্রস্তাবনা দেয়া হয়। এর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস চালুর প্রস্তাব দেয় তারা। এ ছাড়া বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এ জন্য আট সপ্তাহের সময় চায় তারা। তবে অপারেটরদের এ আপত্তি আমলে নেয়নি বিটিআরসি। ১৪ আগস্ট এ বিষয়ে ছয় অপারেটরকে চূড়ান্ত চিঠি দেয়া হয়। এতে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্যাকেজ নির্বিশেষে কলপ্রতি ১০ সেকেন্ড পালস চালু করতে নির্দেশ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় বর্তমানে প্রতি মিনিট হিসেবে বিল দিতে হচ্ছে মুঠোফোন গ্রাহকদের।এক্ষেত্রে ২৬ সেকেন্ড কথা বললেও গ্রাহকদের যেখানে পুরো এক মিনিটের জন্য টাকা দিতে হচ্ছে সেখানে বিটিআরসি’র নির্দেশনা অনুযায়ী ২৬ সেকেন্ডের জন্য ৩০ সেকেন্ডের বিল দিতে হবে
No comments:
Post a Comment